বিয়ানীবাজার পৌরসভার মনঞ্জির টাওয়ারের ভাড়াটিয়া শিক্ষিকার বাসা চুরি ঘটনা ঘটেছে। টাওয়ারে কেয়ার টেকার থাকাবস্থায় এরকম চুরির ঘটনা রহস্য সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ভাড়াটিয়ার প্রতি পুলিশের সামনে কেয়ারটেকার মতিন ও তার পরিবারের সদস্যদের মারমুখী আচরণ সন্দেহ তৈরী হয়েছে। তাদের রুদ্ধমুর্তি ভাড়াটিয়া শিক্ষিকা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।চুরি যাওয়া বাসায় এক চাবির গোছা পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে যে চুরি করেছে সেই এ চাবির গোছা ফেলে গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকা তানজিনা শিরিন জানান ১১ মার্চ অসুস্থ শ্বশুড়কে নিয়ে সিলেট হাসপাতালে ভর্তি হন। যাওয়ার সময় বাসা ঠিকটাকভাবে তালা দিয়ে জান। আজ ১৭ মার্চ সোমবার সকাল ১১টায় ফিরে এসে দেখেন বাসার দরজায় তালাই নেই। বাইরে থেকে ছিটকিনি দিয়ে আটকানো এবং ভেতরের সব জিনিসপত্র তছনছ করা।
চুরি যাওয়ার বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করাসহ প্রতিবেশিদের চুরি যাওয়া বাসা দেখিয়েছেন জানিয়ে ভুক্তভোগীর এ স্বজন জানান, এতো বড় একটি টাওয়ার অথচ এখানকার নিরাপত্তা অবস্থা খুবই করুণ।
কেয়ারটেকার মতিন ২৪ ঘন্টা ডিউটির দাবি করলেও তিনি বলেন, বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি আমাকে জানিয়ে গেলে খেয়াল রাখতে পারতাম।
খবর পেয়ে দুপুর ২টার দিকে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ বলছে গুরুত্ব দিয়ে তারা ঘটনার তদন্ত করবে। ভুক্তভোগী ভাড়াটিয়াদের সাথে পুলিশের সামনে কেয়ারটেকার পরিবার মারমুখী আচরণ এবং এ প্রতিবেদককে নিউজ বুঝে করার হুমকি দেন কেয়ারটেকার মতিন।